মোস্তফা সরয়ার ফারুকী-এর বিরুদ্ধে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুদান ও ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেখানে আর্থিক অসংগতি ও দ্বৈত বাজেটের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় তদন্তে নেমেছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসানকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে দুদক ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন। তাদের আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নথির আলোচিত অংশে বলা হয়েছে, প্রয়োজন হলে ফারুকীসহ সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। একই সঙ্গে অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট নথি ও আর্থিক লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত এবং জড়িতদের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের তথ্য যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে ফারুকীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট নথিতে সরকারি সিল ও স্বাক্ষর থাকলেও এর সত্যতা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। কারণ, অনলাইনে ভুয়া সরকারি আদেশ ছড়িয়ে পড়ার নজির থাকায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ না পাওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
সূত্র: কালবেলা