সাম্প্রতিক :
গাইবান্ধায় পুলিশকে মারধরের ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে আজও বাতিল মধ্যপ্রাচ্যের ২২ ফ্লাইট ‘ডিপ স্টেট’ ২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় রাখার কৌশল দিয়েছিল: আসিফ মাহমুদ ফারুকীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ জামায়াতের এমপি আসায় মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান ‘বয়কট’ স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশকে মারধর, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে ব্রিটিশ রাজা চার্লসের চি‌ঠি পটুয়াখালীতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিবাদ মুক্তিযুদ্ধকে পরাজিত করার ‘শেল্টার মাস্টার’ ছিলেন ড. ইউনূস

গাইবান্ধায় পুলিশকে মারধরের ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে অফিসার ইনচার্জ (ওসি)সহ পুলিশ সদস্যদের মারধরের অভিযোগে মিজানুর রহমান মিজান (৩৫) নামে এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে গৃধারীপুর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ওসি খান সারোয়ারে আলম। গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান মিজান পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের পেশাজীবী বিভাগের বর্তমান সেক্রেটারি এবং গৃধারীপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতের সাবেক আমির এবং ২০১৩-১৪ সালে পলাশবাড়ী উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একই ঘটনায় তৌহিদুল ইসলাম নামে আরও একজনকে আটক করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি একটি পত্রিকার পলাশবাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

ওসি খান সারোয়ারে আলম জানান, গ্রেপ্তার মিজানকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশ (পলাশ আহমেদ) কয়েকজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে একটি অভিযোগপত্রসহ থানায় যান। এ সময় ওসির সঙ্গে কথাবার্তার একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পুলিশের দাবি, ওই নেতা তাৎক্ষণিকভাবে পলাশবাড়ী বাজারের মুরগিহাটের একটি খোলা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চাপ প্রয়োগ করেন। এতে ওসি রাজি না হলে তিনি ও তার সঙ্গে থাকা লোকজন ওসির ওপর চড়াও হন এবং মারধর করেন। এ সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়। এতে এক নারী কনস্টেবলসহ মোট ৯ জন পুলিশ সদস্য আহত হন।

এ ঘটনায় হামলার শিকার পলাশবাড়ী থানার এএসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১২-১৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে পলাশ আহমেদকে (৩৫)। অন্য আসামিরা হলেন—মাহফুজ রহমান সিনহা (২৮), তৌহিদুল ইসলাম কানন (৩৩), মেহেদী হাসান (৩৫), সাদ্দাম হোসেন (৩০), শাওন (৩৫), গোলজার রহমান (৩২), সবুজ মিয়া (৩২) ও আব্দুল মালেক (৩৭)।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর
Japan Bangla Press © 2025. All Rights Reserved.
Site Customized By NewsTech.Com