তাইওয়ান ইস্যুতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে চীনের করা অভিযোগের জবাবে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে একটি খণ্ডনচিঠি জমা দিয়েছে। চীনের দাবিকে “অসত্য এবং অপ্রমাণিত” উল্লেখ করে জাপান স্পষ্ট করেছে যে তাদের অবস্থান পরিবর্তিত হয়নি।
চলতি মাসের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সংসদে বলেন, চীনের শক্তি প্রয়োগ জড়িত সম্ভাব্য কোনো তাইওয়ান সংকটকে জাপানের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। এ বক্তব্যের পর চীন কটূ প্রতিক্রিয়া জানায়।
গত শুক্রবার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে পাঠানো চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি দাবি করেন, “জাপান প্রথমবারের মতো তাইওয়ান প্রশ্নে সামরিক হস্তক্ষেপের উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে” এবং “চীনের বিরুদ্ধে বল প্রয়োগের হুমকি দিয়েছে।”
এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার জাতিসংঘে জাপানের স্থায়ী প্রতিনিধি ইয়ামাযাকি কাযুইয়ুকি গুতেরেসের কাছে খণ্ডন চিঠি উপস্থাপন করেন। জাপান জানায়, চীনের দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন এবং প্রমাণের ভিত্তিও নেই।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “সশস্ত্র আক্রমণ না থাকলেও জাপান আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে”—চীনের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা। জাপান বলেছে, তাদের নীতি স্পষ্ট: তাইওয়ানকে ঘিরে উদ্ভূত যেকোনো সমস্যা সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হওয়াই প্রত্যাশিত।