প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, উদ্ভাবক, গবেষক, উদ্যোক্তা ও সৃজনশীল ব্যক্তিদের প্রতিভার যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে সরকার আধুনিক, সহজ ও কার্যকর সেবা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। তিনি জানান, অনলাইন নিবন্ধন, দ্রুত সেবা প্রদান, আইনি সুরক্ষা জোরদার এবং নকল পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ নানা পদক্ষেপ ইতোমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।
‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে উদযাপিত হচ্ছে, যা দেশের দ্রুত অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেধাস্বত্ব ও ক্রীড়া: প্রস্তুত হও, শুরু করো, উদ্ভাবন করো’—যা তরুণদের মেধাশক্তিকে কাজে লাগাতে সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নতুন ধারণা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করে। পাশাপাশি ক্রীড়াপ্রযুক্তি, খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, ক্রীড়াপণ্যের ব্র্যান্ডিং, সম্প্রচার শিল্প, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং উদ্যোক্তা বিকাশে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প, গবেষণা, স্টার্টআপ ও সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশের এই সময়ে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম পূর্বশর্ত।
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সরকারের অগ্রাধিকার। এ প্রসঙ্গে জামদানি ও ইলিশসহ দেশীয় বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পণ্যের বৈশ্বিক মর্যাদা সংরক্ষণে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন তিনি।
ক্রীড়া খাত প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া এখন শুধু বিনোদনের বিষয় নয়; এটি একটি সম্ভাবনাময় পেশা, সামাজিক শক্তি এবং উদীয়মান অর্থনৈতিক খাত। জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ভাতা ও স্পোর্টস কার্ড চালুর মাধ্যমে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নতুন প্রতিভা অন্বেষণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলার কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ ক্রীড়াভিত্তিক শিল্প, ক্রীড়াপণ্য উৎপাদন, ব্র্যান্ডিং, স্পোর্টস মিডিয়া, পর্যটন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।