প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এ কে ফজলুল হক শুধু কৃষক সমাজের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য ছিলেন এবং তার মানবিকতা, মমতা ও রাজনৈতিক দৃঢ়তা তাকে সর্বভারতীয় রাজনীতির শীর্ষে পৌঁছে দেয়।
শেরেবাংলার ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার (২৬ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব উপস্থাপনের মাধ্যমে উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন শেরেবাংলা। অবিভক্ত বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে তিনি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা হিসেবে বিবেচিত।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শেরেবাংলার বিচক্ষণ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব উপমহাদেশের রাজনীতিতে স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। তার লাহোর প্রস্তাব নিয়ে আজও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এ কে ফজলুল হক ছিলেন বাংলার অবহেলিত কৃষক সমাজের প্রকৃত বন্ধু। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, বাংলার রাজনীতি কৃষিনির্ভর অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। দূরদর্শিতার মাধ্যমে তিনি কৃষকদের স্বার্থকে রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে স্থান দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শেরেবাংলা কৃষক-শ্রমিকবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি প্রশাসনকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করা এবং শিক্ষার প্রসারে তার অবদান সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে সহায়ক হয়।