শোওয়া যুগের সূচনার ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাপান সরকার রাজধানী টোকিওতে এক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। জাতীয় ছুটির দিন শোওয়া দিবস উপলক্ষে নিপ্পন বুদোকান-এ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ৫ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সম্রাট নারুহিতো, সম্রাজ্ঞী মাসাকো এবং প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়েসহ রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
শোওয়া যুগ ১৯২৬ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল, যা জাপানের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি তার বক্তব্যে বলেন, এই সময়কালটি ছিল অভূতপূর্ব পরিবর্তনের যুগ—যেখানে যুদ্ধের সূচনা, যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠন এবং দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান রেইওয়া যুগ-এ জাপান ও বিশ্ব নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে নিম্ন জন্মহার, জনসংখ্যা হ্রাস, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি এবং জটিল নিরাপত্তা পরিস্থিতি। পাশাপাশি বৈশ্বিক পর্যায়ে স্থিতিশীল আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা ও রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শোওয়া যুগের কঠিন সময় পার করে যারা আশা ধরে রেখেছিলেন, তাদের কাছ থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে এবং সাহসের সঙ্গে বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।”
তিনি এমন একটি জাপান গড়ার অঙ্গীকার করেন, যেখানে তরুণ প্রজন্ম জন্মগ্রহণ করতে গর্ববোধ করবে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে। একই সঙ্গে তিনি দেশকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।