জাপান-এ শিশুসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ১ কোটি ৩২ লাখ ৯০ হাজারে দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ১.৩৩ কোটি। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, টানা ৪৫ বছর ধরে এই সংখ্যা কমছে।
১ এপ্রিল পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, ১৪ বছর বা তার কম বয়সী শিশুদের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ৩ লাখ ৫০ হাজার কমেছে। মোট শিশুর মধ্যে ছেলে রয়েছে ৬৮ লাখ ১০ হাজার এবং মেয়ে ৬৪ লাখ ৮০ হাজার।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বয়স যত কম, সংখ্যাও তত কম। যেমন ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা ৩০ লাখ ৯০ হাজার হলেও শূন্য থেকে ২ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা মাত্র ২১ লাখ ৩০ হাজার। এটি জন্মহারের ধারাবাহিক পতনের ইঙ্গিত দেয়।
দেশটির মোট জনসংখ্যার মধ্যে শিশুদের অংশ বর্তমানে ১০.৮ শতাংশ, যা আগের বছরের তুলনায় ০.৩ শতাংশ কম। এই হার টানা ৫২ বছর ধরে হ্রাস পাচ্ছে।
জাতিসংঘ-এর বিশ্ব জনসংখ্যা সম্ভাবনা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত ৪ কোটির বেশি জনসংখ্যাবিশিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে শিশুর অনুপাতের দিক থেকে জাপান বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়া ১০.২ শতাংশ নিয়ে সর্বনিম্ন স্থানে রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জন্মহার কমে যাওয়া, বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক নানা কারণে জাপানে শিশুসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে, যা ভবিষ্যতে দেশটির শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।