খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে চাল ও গম মিলিয়ে মোট খাদ্যশস্যের মজুত দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৪৬ মেট্রিক টন।
২০২৬ সালের ৫ মে পর্যন্ত প্রকাশিত খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দৈনিক খাদ্যশস্য পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি গুদামগুলোতে বর্তমানে চালের মজুত রয়েছে ১২ লাখ ২৫ হাজার ৮৭ মেট্রিক টন। এছাড়া গমের মজুত ৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৮৪ মেট্রিক টন এবং ধানের মজুত রয়েছে ২৬৫ মেট্রিক টন।
হিসাব অনুযায়ী, গুদামজাত মোট খাদ্যশস্যের পরিমাণ ১৫ লাখ ৭০ হাজার ৪৪৩ মেট্রিক টন। তবে এর সঙ্গে ট্রানজিটে থাকা বা ভাসমান (ফ্লোটিং) মজুত যোগ করলে মোট মজুত আরও বেড়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বর্তমানে ভাসমান মজুতের মধ্যে গম রয়েছে ৯০ হাজার ৬৭২ মেট্রিক টন এবং চাল রয়েছে ২৯ হাজার ৮৩১ মেট্রিক টন। সব মিলিয়ে দেশে মোট খাদ্যশস্যের মজুত প্রায় ১৭ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য মজুত থাকলে তা নিরাপদ পর্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই হিসেবে বর্তমান মজুত সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে নতুন ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান থাকায় আগামী দিনে খাদ্য মজুত আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, গত ৩ মে থেকে খাদ্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে, যা আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এ সময় ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গমসহ মোট ১৮ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সচিব আরও বলেন, আমদানি ও সরকারি বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে খাদ্য মজুত ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে।