রক্তকরবীর আত্মপ্রকাশ: মানবিক ও সৃজনশীল শিল্পচর্চার নতুন দিগন্ত

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশের সংস্কৃতি, সাহিত্য, সংগীত, নাটক, নৃত্য, আবৃত্তি ও শিল্পকলার বিকাশে কাজ করতে যাত্রা শুরু করলো ‘রক্তকরবী’, একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিল্পচর্চার সৃজনশীল প্রতিষ্ঠান। গত ১ নভেম্বর ২০২৫, বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে বাংলামটরের বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘রক্তকরবী’র আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাধীনতা ও মানবতার অমলিন প্রতীক কবি শামসুর রহমানকে নিবেদন করে আয়োজন করা হয়েছিলো আত্মপ্রকাশ অনুষানটি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম( কবি শহিদ আজাদ) বলেন, সাংস্কৃতিক সংগঠন হলো জাতির চেতনার কারখানা, যেখানে তৈরি হয় মুক্তচিন্তা, মানবিকতা ও সভ্যতার নতুন বীজ—যা একসময় সাংস্কৃতিক বিপ্লবে রূপ নেয়। বিশ্বাসকরি ‘রক্তকরবী’ নামক এই গুটিপোকাটি একদিন আমাদের সাংস্কৃতিক চেতনায় প্রজাপতি হয়ে উড়বে৷

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তাহেরা আফরোজ বক্তব্যে বলেন, ‘রক্তকরবী’ শুধুমাত্র শিল্পচর্চার সংগঠন নয়—এটি একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন। সংগঠনটি তরুণ প্রজন্মকে সাহিত্য, নাটক, সংগীত, আবৃত্তি ও চিত্রকলার মাধ্যমে সৃজনশীল, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।

‘রক্তকরবী’র মূল কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে—বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সংরক্ষণ ও চর্চা৷ জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন৷ মাদক, সন্ত্রাস ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক আন্দোলন৷ সামাজিক সচেতনতা ও দেশপ্রেম জাগ্রত করা৷ সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও প্রদর্শনীর আয়োজন৷ সংগঠনের সদস্যপদ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে সকল ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য, যারা রক্তকরবীর লক্ষ্য ও নীতিতে বিশ্বাসী।

সাধারণ সম্পাদক মৌসুমী আখতার বক্তব্যে বলেন, শিল্পই সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। তাই কেবল শিল্পচর্চা নয়, বরং সাংস্কৃতিক চেতনার মাধ্যমে একটি মানবিক, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল সমাজ গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গীকার।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর
Japan Bangla Press © 2025. All Rights Reserved.
Site Customized By NewsTech.Com