জন্ম সন্ধিক্ষণে শীতল হাওয়ার মিঠেকড়া রোদ্দুর
আকাশ পরে নি আজ রূপোলী মেঘের নুপুর
প্রত্যুষেই তুমি খুলে দিলে মনের মুকুর
বঙ্গেতে জন্মিয়া গড়িলে টেমসে বসতি
সিলেটি কন্যা তুমি রক্তস্রোতে তরপের অধিপতি
শব্দমাল্যে আলোকিত জীবন তোমার কবিতা য় কঙ্কাবতী
কবিতায় উদযাপিত জীবন কবিতাতেই মশহুর
স্বদেশের টানে স্বদেশের প্রেমে হৃদয় ব্যাকুল জানি যদ্দূর
তুমি মাতালে জগৎ হয়ে কবিতার জিন্দা পিরানি
ফেরাতে পারি নি চোখ
ফিরে ফিরে দেখি তাই মায়ার হাতছানি
তোমার জন্য রাখছি লিখে গাথা ও শ্লোক
আমরা তোমারে চিনেছি খুব আত্মজীবনী বংশবীজে
শিরদাঁড়া ভর করে দাড়াতে শেখালে তুমি নিজে
জগৎ জুড়ে জ্যোতিষ্মতী তুমি শামীম আজাদ নাম
তুমি লহ মোর অঞ্জলি করপুটে প্রণতি জানায় ধরাধাম
সুস্বাস্থ্য, আয় ও দীর্ঘায়ূ কামনা করে জানাই প্রণাম
জানি তোমার জন্মতিথি আজ দশই নভেম্বর
আমরা পারি নি রাখিতে আগলে তোমারে রেখেছে লন্ডন শহর
উত্তরাধিকার সূত্রে তুমি মহাকবি সৈয়দ সুলতানের বংশধর
দীপাবলির রাতে তোমার শানে আলোকিত আজ বাংলার প্রতিটি ঘর
আতরের গেরানে বুঝি তুমি যে কবিতার জিন্দা পিরানি
আচলের ছায়ায় বুঝি বুঝি তোমার মায়ার হাতছানি
আদুরে ভাই বলে ডাকো যে বালা আজীবন তোমারে ভগ্নি বলিয়া জানি
শুশ্রূষা আর প্রার্থনায় প্রসারিত রেখো তোমার কোমলপ্রাণ
বাচিয়া থাকিলে তুমি গাইবে আরো মানবতার জয়গান
যে স্নেহ পেলাম আমি জগৎ-সংসারে সেতো তোমারই দান
কবিতায় তোমার ঘরগেরস্থালি কবিতাতেই পেলে পিরানির সম্মান
কবিতার সংসারী বলে তোমার প্রতি আমার অগাধ সম্ভ্রম
আগামীতেও তোমার কবিতাতেই হবে আমাদের ব্যথার উপশম
উড়নচড়ে মানুষ আমি তোমারেই ভালোবাসি ভীষণ রকম
তোমার কবিতায় তুমি হলে ধ্রুবতারা ধন্বন্তরি
পামর বলিয়া কবিতা ছাড়া নেই তো কোনো কানাকড়ি
ঘরখানা নড়বড়ে বলে ক্ষয়েছে তার চৌকাঠ ও খড়ি
কবিতা চারী বলিয়া তুমিই আমাদের সাত ভাই চম্পা অমর অমরাবতী
সত্য ও ন্যায়ের ঝান্ডাধারী তুমি অন্যায়ের কাছে মানবে না নতি
প্রেরণা জাগালে তুমি নাশিতে জাতির সকল দুর্গতি