সাম্প্রতিক :
১৭ বছর পর লন্ডন থেকে এক মুফতি এসেছে দেশে, তারেক রহমানকে নিয়ে জামায়াত প্রার্থীর কটাক্ষ ছেলে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী, বাবা মাঠে ধানের শীষে বিশ্বকাপ না খেলায় বাংলাদেশের ‘লস’ হবে ৩৩০ কোটি টাকা! জামায়াতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সম্পর্ক অশনিসংকেত: ফরহাদ মজহার এবার সংসদ নির্বাচনে লড়ছেন ১৯৮১ প্রার্থী পিনাকী ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারির আর্জি বাংলাদেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবার সরিয়ে নিতে ভারতের সিদ্ধান্তে যা বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনের ছুটি পাবেন না যেসব সরকারি চাকরিজীবী বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ: আসিফ নজরুল জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হলেন সাখাওয়াত টিপু

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে নির্বাহী বিভাগ থেকে নির্বাচন কমিশনের সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা এবং একটি ইলেক্টোরাল সার্ভিস কমিশন গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম স্থগিত রাখতে হবে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম এ রিট দায়ের করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের এতে বিবাদী করা হয়েছে। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চে রিটটির শুনানি হতে পারে।

রিটে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার পরিবর্তে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)কে রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। আবেদনে বলা হয়, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের, আর নির্বাহী বিভাগের ভূমিকা সহায়তামূলক। কিন্তু বাস্তবে নির্বাচন পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগকে দেওয়া হচ্ছে, যা সংবিধানের চেতনাকে ক্ষুণ্ণ করে।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, নির্বাহী বিভাগ রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করে থাকে, যার ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। আইনজীবী ইয়ারুল ইসলামের দাবি, বর্তমান নির্বাহী বিভাগ আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে; তাদের দ্বারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব—এতে জনগণের বিশ্বাস নেই।

তিনি বলেন, সরকারের ইঙ্গিত অনুযায়ী জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে আবারও নির্বাচন পরিচালনার প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে। ডিসিদের ওপর এমন দায়িত্ব দিলে নির্বাচন পুনরায় প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা এবং নির্বাচন কমিশনের সচিব অপসারণেরও দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ২৯ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। কমিশন একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলেও তিনি জানান।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর
Japan Bangla Press © 2025. All Rights Reserved.
Site Customized By NewsTech.Com