জাতীয় সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে নোটিশ উত্থাপনকে কেন্দ্র করে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান এ নোটিশ উত্থাপন করেন।
তিনি স্পিকারের উদ্দেশে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ এবং সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ আহ্বানের বিষয়ে তিনি যথাযথ প্রক্রিয়ায় নোটিশ উত্থাপন করেছেন এবং এ বিষয়ে আলোচনা করার অনুমতি চান।
নোটিশ উত্থাপনের পর স্পিকার সরকারদলীয় চিপ হুইপ নূরুল ইসলাম মনিকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিলে তিনি বলেন, এ ধরনের বিষয়ে আলোচনা সাধারণত প্রশ্নোত্তর পর্ব ও একাত্তর বিধির পরে হয়ে থাকে। তিনি প্রস্তাব করেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরে এ বিষয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।
এরপর স্পিকার বিরোধীদলীয় নেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্পিকারের পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ীই তিনি নোটিশ উত্থাপন করেছেন এবং এটি তার সাংসদীয় অধিকার ও দায়িত্ব। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিষয়টি গ্রহণ করা হবে।
পরবর্তীতে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনিও নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর ও একাত্তর বিধির পর বিষয়টি আলোচনার পক্ষে মত দেন।
এ সময় বিরোধীদলীয় চিপ হুইপ নাহিদ ইসলামও নোটিশটি আলোচনায় নেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে সরকারদলীয় চিপ হুইপ এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।
পরিস্থিতি বিবেচনায় স্পিকার সিদ্ধান্ত দেন যে, একাত্তর বিধির পর সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংক্রান্ত এ নোটিশটি আলোচনার জন্য গ্রহণ করা হবে।