চীনে জাপানি ব্যবসা খাতের একজন শীর্ষ বিশেষজ্ঞ হিরাই ইয়াসুতেরু জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক জাপান–চীন উত্তেজনার বাণিজ্যিক প্রভাব আরও দীর্ঘ সময় ধরে থাকতে পারে। তার মতে, সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হলে দুই দেশের মধ্যে বিনিময় ও সংলাপ বৃদ্ধির জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা নেওয়া জরুরি।
চলতি মাসের শুরুতে তাইওয়ান ইস্যুতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ের মন্তব্যের পর চীনের প্রতিক্রিয়া এবং এর পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে এনএইচকে-র সঙ্গে কথা বলেন চীনা জাপানিজ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক চেয়ারম্যান হিরাই। তিনি ১৮ বছর চীনে একটি বড় জাপানি বাণিজ্য সংস্থায় কাজ করেছেন এবং দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসছেন।
জানা গেছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক জি–২০ শীর্ষ সম্মেলনে তাকাইচি ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের মধ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়নি, যা উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা আরও কমিয়ে দিয়েছে।
হিরাই বলেন, “তাইওয়ান সম্পর্কিত প্রশ্নটি চীনের কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং তারা একে ‘মূল স্বার্থ’ হিসেবে বিবেচনা করে। এখন পর্যন্ত চীন পর্যটন ও জাপান ভ্রমণ নিরুৎসাহিত করছে। যদি এই অবস্থান ব্যবসা এবং মানুষ-থেকে-মানুষ বিনিময় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, তাহলে এর প্রভাব আরও গভীর হবে। অর্থ ও তথ্য প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে ব্যবসায়িক সম্প্রসারণে বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির কোনও কূটনৈতিক সুযোগ আপাতত দৃশ্যমান নয়, ফলে উত্তেজনার প্রভাব দীর্ঘায়িত হওয়া অনিবার্য।