বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বৈশ্বিক বাস্তবতায় অনেক দেশেই গরম ও শীতের সময়ে ডে-লাইট সেভিংয়ের অংশ হিসেবে এক ঘণ্টা সময় এগিয়ে নেওয়া হয়। বাংলাদেশেও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে আপদকালীন কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন দুপুরে সংক্ষিপ্ত সফরে সিলেটে পৌঁছে বিকেল চারটায় নিজ বাসভবনে স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ সাশ্রয় অত্যন্ত জরুরি। এটি শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, বরং বিশ্বব্যাপী একটি বাস্তবতা। তাই সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সবাইকে শৃঙ্খলাবোধের পরিচয় দিতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সন্ধ্যা ছয়টা থেকে বিদ্যুতের পিক আওয়ার শুরু হয়। এই সময়ে দোকানপাট বন্ধ রাখলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব, যা দীর্ঘমেয়াদে কাজে লাগবে।
জ্বালানি সংকটের কারণে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশের অধিকাংশ শিল্পকারখানা গ্যাসনির্ভর। জ্বালানি মন্ত্রণালয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত রাখায় উৎপাদনে বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।
রপ্তানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন দেশে ভোগব্যয় কমে যাওয়ায় রপ্তানিতে প্রভাব পড়েছে। তবে এটি শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য দেশেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এ সময় সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।