বই পড়া কেবল অবসরের সঙ্গী নয়, বরং এটি মস্তিষ্কের জন্য এক ধরনের ব্যায়াম—এমন মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি মানুষের বই পড়ার অভ্যাসে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ইন্টারনেট আসক্তি ধীরে ধীরে তরুণ প্রজন্মকে বইবিমুখ করে তুলছে।
অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ বছর সাহিত্যে পুরস্কার পান নাসিমা আনিস, প্রবন্ধ-গদ্যে আজিজুল হক, শিশু সাহিত্যে হাসান হাফিজ, অনুবাদে আলী আহমদ, গবেষণায় মুস্তফা মজিদ ও ইসরাইল এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে মঈনুল হাসান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক। এতে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, সংস্কৃতি সচিব মফিদুর রহমান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম এবং প্রকাশক সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমানসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, শিল্পী, সাহিত্যিক, কবি ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ও কন্যাসহ সংস্কৃতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং বেশ কয়েকটি বই সংগ্রহ করেন।