মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকেরা পদ্ধতিগত শোষণ, নির্যাতন ও প্রতারণার শিকার হচ্ছেন— এমন চিত্র তুলে ধরেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে বুধবার (২৬ নভেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়,
কানাডাভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্নেন্স (জিসিডিজি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থাটি রায়টিকে ‘বিচারের নামে প্রহসন’, ‘গুরুতর বিচার বিভ্রান্তি’
সাংবাদিক, লেখক এবং একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবিরকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ‘আইনি মানদণ্ড ভঙ্গ’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল (ইউএনএইচআরসি)। কাউন্সিলের ওয়ার্কিং গ্রুপ সম্প্রতি প্রকাশিত
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত রায়কে ‘অস্বচ্ছ ও উদ্বেগজনক’ আখ্যা দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং প্রবাসে কর্মরত ১০২ জন সাংবাদিক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধে দায়ী করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলন দমনে সংঘটিত নৃশংসতার প্রেক্ষিতে এই রায়
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ডের রায়কে “সুষ্ঠু ও ন্যায়সংগত নয়” বলে অভিহিত করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। জুলাইয়ের
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ডাদেশে গভীর দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। গতকাল রাতে এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতেই জাতিসংঘ মৃত্যুদণ্ডের
গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছর জুলাইয়ের আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কয়েক দিনের মধ্যেই বিশেষ ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলার রায় ঘোষণার
অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ১৪ মাসে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গণপিটুনিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৮১ জন নাগরিক। মানবাধিকার সংগঠন অধিকার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।